শুধুই কি এই দমদমিয়া বিডিআর চেকপোস্ট এই চেকপোস্ট থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে টেকনাফ স্থলবন্দরের অভ্যন্তরে পুলিশের ইমিগ্রেশন বিভাগে আরও কয়েক কিলোমিটার দূরে নাফ নদের পারে টেকনাফ বিডিআর ফাঁড়িতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও চোরাচালান দমনে নিরলসভাবে কাজ চালাচ্ছেন
পোশাক দেখে অনেকে নারীদের বিডিআরের সদস্য মনে করলেও আসলে তাঁরা সবাই মহিলা আনসার ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণ পাওয়া সদস্য
সীমান্তের চোরাচালান ও মাদক পাচার বন্ধে গত ১১ জুলাই টাঙ্গাইলের সখীপুরের ১ নম্বর ও ২ নম্বর মহিলা আনসার ব্যাটালিয়ন থেকে ১৫ নারীসদস্যকে টেকনাফ উপজেলায় নিয়োগ দেওয়া হয়
১৪ জুলাই থেকে তাঁরা সীমান্তে দায়িত্ব পালন করছেন
বলা যায় দেশে এই প্রথম নারীরা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান দমনে কাজ করছেন
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দমদমিয়া বিডিআর চেকপোস্টে গিয়ে দেখা গেল সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আনসারের সদস্য কোহিনূর আকতার ও তসলিমা নারী যাত্রীদের শরীর তল্লাশি করছেন
তাঁদের সঙ্গে থাকা বিডিআরের অপর চার সদস্য ল্যান্স লায়েক আবদুল মজিদ সিপাহি রবিউর রহমান হুমায়ূন ও হুমায়ূন কবির পুরুষ যাত্রীদের তল্লাশি করছেন
কোহিনূর জানান সকাল আটটা থেকে এই দায়িত্ব পালন করছি বেলা দুইটায় আমরা ফিরে গেলে আরেকটি দল আসবে
তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করে বাসায় ফিরবে
তাসলিমা বলেন এর আগে দেশের বিভিন্ন শহরে র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা স্থলে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা আমাদের থাকলেও সীমান্ত এলাকায় এই প্রথম নারীরা চোরাচালান দমনে কাজ করছি
তবে এ পর্যন্ত এতে কোনো সমস্যা হয়নি
বিডিআরের জওয়ানেরা নানা কাজে আমাদের সহযোগিতা করছেন
আমরাও এ কাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছি
নিজেদের মেধা কাজে লাগিয়ে আনসার বাহিনীর সুনাম ধরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছি
বিডিআরের ল্যান্স নায়েক আবদুল মজিদ জানান আগে টেকনাফ থেকে অসংখ্য নারী শরীরে লুকিয়ে ইয়াবা গাঁজা ফেনসিডিল ও হেরোইন পাচার করত
বিডিআরের সব সদস্য পুরুষ বলে নারী চোরাচালানিদের শরীর তল্লাশি করা যেত না
আর এখন আনসারের নারীসদস্যরা আমাদের সঙ্গে থাকায় নারী পাচারকারীরা বেকায়দায় পড়ে
তারা শরীরে লুকিয়ে মাদক পাচার প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে
খবর রয়েছে চোরাচালানিরা চেকপোস্ট এড়িয়ে ভিন্নপথে ইয়াবাসহ মাদকের চালান পাচার করছে

ট্রানজিটঘাটেও একই অবস্থা 
বেলা সাড়ে ১১টায় নাফ নদীর পাড়ে স্থাপিত বাংলাদেশ-মিয়ানমার ট্রানজিট ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে একই চিত্র
একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মিয়ানমারের মংডু শহর থেকে নাফ নদ অতিক্রম করে সে দেশের ১৪১ জন নারী-পুরুষ টেকনাফে আসে
তারা সঙ্গে করে নিয়ে আসে আচার স্যান্ডেল চাদর শিমবিচি লুঙ্গি-থামি কম্বল ক্যালসিয়াম কপিম্যাক্স নুড্লস ইত্যাদি
টেকনাফের বিডিআর ফাঁড়ির জওয়ানেরা নাফ নদের পাড়ে স্থাপিত চৌকিতে লাইন ধরে তল্লাশি করছিলেন
পরীক্ষা করছিলেন কাগজপত্র
এরা সবাই আসে এক দিনের ট্রানজিট পাস নিয়ে
আশির দশকে তৎকালীন সরকার দুই দেশের মংডু-টেকনাফের মানুষের আত্মীয়স্বজন দেখা-সাক্ষাতের সুবাদে এই বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ট্রানজিট চালু করে
কিন্তু ইদানীং এই ট্রানজিট ঘাট মাদক চোরাচালানের নিরাপদ পয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
মিয়ানমার থেকে নারী-পুরুষ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং মালামালের ভেতর লুকিয়ে নেশার বড়ি ইয়াবার চালান নিয়ে আসছে
বিডিআরের সদস্যরা মাঝেমধ্যে ইয়াবার চালান ধরতে সক্ষম হলেও নারীদের শরীরে লুকিয়ে আনা ইয়াবা ধরতে পারেন না
ফলে নারী চোরাচালানিদের শরীর তল্লাশির জন্য এই পয়েন্টে নিয়োগ দেওয়া হয় আনসার ব্যাটালিয়নের নারীসদস্যদের
দেখা গেছে মিয়ানমার থেকে আসা নারীদের শরীর তল্লাশি করছেন আনসারের দুই নারীসদস্য
এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিয়ানমারের নাগরিক লাইসা ৩৬ লাইনু ৩৮ ও ছুরা খাতুন ৩৩ জানান কিছু ইয়াবা চোরাকারবারির জন্য তাঁদের এই অবস্থা
আগে মিয়ানমারের নারীরা এই ট্রানজিট দিয়ে ইয়াবাসহ মাদকের চালান টেকনাফে নিয়ে আসত
এখন নারী আনসার সদস্য নিয়োগ পাওয়ায় নারী পাচারকারীরা বেকায়দায় পড়ে
তারা ট্রানজিট বাদ দিয়ে এখন বিকল্প পথে ইয়াবার চালান পাচার করছে বলে খবর রয়েছে
টেকনাফ সদর বিডিআর বিওপির ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবদুল মান্নান জানান প্রতিদিন এ ট্রানজিট ঘাট দিয়ে উভয় দেশে দেড়-দুই শতাধিক লোক আসা-যাওয়া করে
এ সময় মাদক পাচারের ঘটনা ঘটে
তবে আনসারের নারীসদস্যদের নিয়োগের পর অবস্থার উন্নতি হয়েছে
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় সম্প্রতি আনসারের সদস্য রিনা দত্ত ও বিলকিস আকতার ট্রানজিট ঘাট দিয়ে পাচারের সময় পাঁচ হাজারটি ইয়াবা উদ্ধার করেন
রিনা দত্ত বলেন দেশের জন্য কাজ করছি
অন্য কাজের সঙ্গে এই কাজের তুলনা চলে না
চোরাচালানি মাদক পাচারকারী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে পারলে ভালো লাগে
গত ২৫ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় টেকনাফ সদর বিওপির বিডিআরের হাবিলদার কামরুল হাসানের নেতৃত্বে নারীসদস্যরা ট্রানজিট নিয়ে আসা মিয়ানমারের মংডু শহরের থায়ুনখালী গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শহীদকে ২৮ ৯৮৯টি ইয়াবাসহ আটক করেন যার মূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা
সীমান্তের বিডিআর জওয়ান এবং নারীআনসার সদস্যদের মিলিত প্রচেষ্টায়
৯ আগস্ট আরও এক হাজার ইয়াবাসহ আটক করা হয় মিয়ানমারের মংডু শহরের কাহারিপাড়ার কামাল হোসেনকে ২২
১২ আগস্ট বিকেলে দমদমিয়া চেকপোস্টে ৩৫ লাখ টাকা দামের পাঁচ হাজার তিনটি ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার নেজাম উদ্দীন ২৬ ও কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোড এলাকার দেলোয়ার হোসেন ২৩ এবং এর কয়েক দিন আগে ২০০টি ইয়াবাসহ টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী গ্রামের খতিজা বেগমকে ২৮ আটক করা হয়
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় গত আট মাসে জানুয়ারি থেকে আগস্ট বিডিআর পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা টেকনাফে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৯ হাজার ইয়াবাসহ ৪১ পাচারকারীকে আটক করেন
এর মধ্যে নারী পাচারকারীর সংখ্যা অন্তত ২০ জন
চোরাচালান দমনে ১৫ নারী
কক্সবাজারে রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পাকড়িকাটা গ্রামের মেয়ে কোহিনূর আকতার
২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশ মহিলা আনসার ব্যাটালিয়নে যোগদান করেন
এরপর তিনি র‌্যাব-৯ সিলেটে দায়িত্ব পালন করেন
বর্তমানে টেকনাফ সীমান্তে তিনটি বিডিআর চেকপোস্টে চোরাচালান প্রতিরোধের দায়িত্ব পালন করছেন
কোহিনূর টাঙ্গাইলের সখীপুরের ২ নম্বর মহিলা আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্য
কোহিনূর বলেন দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পেরে গর্ববোধ করছি
প্রথমে সীমান্ত এলাকায় এসে চোরাচালান প্রতিরোধ করা কঠিন মনে হলেও এখন সহজ হয়ে গেছে
প্রথম প্রথম দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের নানা মন্তব্য শুনতে হতো
এখন সবাই সমাদর করেন সম্মান করে কথা বলেন
কোহিনূরের পাশাপাশি চোরাচালান দমনে কাজ করছেন আরও ১৪ নারীসদস্য
তাঁরা হলেন তুহিন ফেরদৌসী রুবি আকতার মিসিন্ধ মারমা জেসমিন আকতার রিনা দত্ত পম্পি চৌধুরী মিনা আকতার মেঘনা মুৎসুদ্দি মিনু আকতার নাছিমা আকতার বিলকিছ আকতার বিবি মরিয়ম মেহের জান ও তাসলিমা আকতার
তাঁরা সবাই চট্টগ্রামের সন্দিপ সীতাকুণ্ড হাটহাজারী বাঁশখালী রাঙামাটি পটিয়া ও কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা
টেকনাফ উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত আবদুর রশিদ জানান এই নারীসদস্যদের কারণে ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারীরা বেকায়দায় পড়েছে
চোরাচালান প্রতিরোধে তৎপর এই নারীসদস্যদের প্রত্যেকের অস্ত্র চালনাসহ সামরিক বাহিনীর মতো প্রশিক্ষণ রয়েছে
সীমান্ত উপজেলায় এই প্রথম নারীরা চোরাচালান দমনে কাজ করছেন
তাঁরা ভালোও করছেন
এতে আনসার বাহিনীর সুনাম বাড়ছে
নারীসদস্যদের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে চোরাচালান নির্মূলের চেষ্টা চলছে
তিনি বলেন বিডিআরের সহযোগিতায় এ নারীরা টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে ট্রানজিট পাস নিয়ে আসা লোকজন ট্রানজিট ঘাট ও দমদমিয়া বিডিআর চেকপোস্টে কাজ করছেন
উদ্ধার করছেন ইয়াবা মাদকদ্রব্যসহ চোরাচালানের নানা পণ্য
ধরা পড়ছে চোরাচালানিরাও

নারীদের কিছু সমস্যা 
নারীসদস্যরা জানান প্রতিদিন সকাল সাতটায় নাশতা সেরে দায়িত্ব পালনের জন্য সীমান্তে যেতে হয়
বেলা দুইটায় বাসায় ফিরে খেতে হয় দুপুরের খাবার
আবার বেলা দুইটায় আরেকটি দল সীমান্তে গিয়ে ফেরে সন্ধ্যায়
এতে যাতায়াত-সমস্যায় পড়তে হয়
বেতনের টাকা খরচ করে প্রতিদিন ছয়জন করে ১২ জন নারীসদস্যকে সীমান্তের তিনটি স্থানে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে
নারীদের প্রত্যেকের বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ এবং প্রত্যেকের নামে অস্ত্রও বরাদ্দ রয়েছে
কিন্তু আবাসনব্যবস্থা না থাকায় অস্ত্র সঙ্গে রাখা যাচ্ছে না
এসব নারী টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় ছোট্ট একটি কক্ষে দৈর্ঘ্য ৩৫ প্রস্থ ১৮ ফুট গাদাগাদি করে বাস করছেন
এখানে মাত্র একটি টয়লেট পানিসংকট সব সময়
ভবনের বাইরে নেই সীমানাপ্রাচীর চোর-ডাকাতের ভয় জানালা থাকলেও সেগুলো বন্ধ রাখতে হয়
বেতন ও রেশন তুলতে যেতে হয় ৯০ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার শহরে
সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি শুক্র ও শনিবারও তাঁদের বেতনের টাকা খরচ করে সীমান্তে গিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়
এসব সমস্যায় জর্জরিত কয়েকজন নারীসদস্য ক্ষোভের সঙ্গে বলেন আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও নিজেরা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছি
একটি বই
কণ্ঠ শরীর ও কাজ—আধুনিক নারীর চরিত্র বুঝতে এই তিনটি বিষয় যথেষ্ট নয় কিন্তু অপরিহার্য বটে
আমাদের এই ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে যেখানে ধর্ম সংস্কৃতি রাজনীতি পারিবারিক ধ্যানধারণা ঐতিহ্য ইত্যাদি বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে নারীর বেড়ে ওঠা চলাফেরা মনমানসিকতা ও স্বাধীনতাকে সেখানে নারীর জেগে ওঠার পেছনে কলকাঠি নাড়ছে এমন মূল বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করা সহজ কাজ নয়
প্রশ্ন করা যায় একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক নারীদের মধ্যে কী আছে নতুন এবং ভিন্ন কী কী প্রেরণা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে নতুন শতকের নারীকে গড়ে তোলার পেছনে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে জানতে হবে কেন এবং কী পরিবর্তন নারীকে এই পর্যন্ত এনেছে
সেটা কি নারীর ক্ষমতায়ন নারীর কণ্ঠ ছাড়ার এবং নিজের কথা বলার স্বাধীনতা নারীর মেধা ও কাজের ক্ষেত্র ক্রমশ বর্ধিত হওয়া বিশ্বায়ন গণমাধ্যম ও উন্নয়ন-সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব সনাতন ধ্যানধারণার শৃঙ্খল ভেঙে নারীর বেরিয়ে আসার সাহস রাষ্ট্র ও আইনপ্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গির বদল কোনটি উত্তর সহজ নয়
তবে নারী ও নারীর উন্নয়ন নিয়ে গবেষণার জন্য এটি একটি অবশ্যম্ভাবী ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বটে
দক্ষিণ এশিয়ার নারীর ক্ষমতায়নের পথ—এ নিয়ে একটা গবেষণা কনসোর্টিয়ামের আয়োজন করা হয়েছিল বাংলাদেশে বছর তিনেক আগে
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কনসোর্টিয়ামে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছিলেন ভারতের কাঞ্চন মাথুর সানি জোশে রত্না সুদর্শন মেধা বিশত পাকিস্তানের সাবা গুল খাটাক আয়েশা খান খাওয়ার মুমতাজ এবং বাংলাদেশের মাহিন সুলতান আমেনা মোহসীন সিমিন মাহমুদদের মতো প্রখ্যাত নারী গবেষক ও চিন্তাবিদেরা
তাঁদের গবেষণার মূল বিষয়বস্তু ছিল এই এলাকার নারীর ক্ষমতায়নের যাত্রাপথে বিদ্যমান প্রেরণাগুলো
আর এই প্রেরণা বা সংঘটকগুলোকে তিনটি বিভাগে আলোচনা করেছিলেন তাঁরা—এক কণ্ঠ দুই কাজ তিন ক্ষমতায়নের পথে সম্পূর্ণতা
তাঁদের এই গবেষণা প্রবন্ধগুলো নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ম্যাপিং উইমেনস এমপাওয়ারমেন্ট-এক্সপেরিয়েন্স ফ্রম বাংলাদেশ ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান বইটি
নারীর ক্ষমতায়নের একটি প্রতীক হিসেবেই বোধ করি বইয়ের প্রচ্ছদে দেখা যায় এক হাস্যোজ্জ্বল তরুণী পোশাকশ্রমিক জোর পায়ে হেঁটে চলেছেন কর্মক্ষেত্রের দিকে পাশে তাঁরই সমবয়সী এক তরুণ
প্রচ্ছদটি প্রতীকী
